বউয়ের সাঠে একদিন

বউয়ের সাঠে একদিন
তিন বছর প্রেম করে বিয়ে করেছি। আমার প্রেম লাইফটা ছিল খুব পবিত্র। আমিও বিয়ের আগে কোন দিন সেক্স করিনি। তাই সে রকম কিছু করার কথা ভাবিও নি। কেন জানিনা আমার প্রেমিকা মানে বউ এর সাথে দেখা হলেই বা ওর কথা ভাবলেই মনের মধ্যে একটা পবিত্র অনুভূতি চলে আসত। ভালো হতে ইচ্ছে করতো। তাই সেক্স ফেক্স নিয়ে ভাবিনি।
বিয়ের পর আমাদের প্রথম সেক্স করতে ১২ দিন লেগেছিল। মানে ১২ দিন পর আমারা প্রথম সেক্স করি। সে অনেক মজার ঘটনা। যদি মন চায় অন্য কোনদিন হয়তো বলবো। নাও বলতে পারি।
কয়েকদিন আগে আমাদের পঞ্চম বিবাহ বার্ষিকী গেল। সেদিনের ঘটনা টা আপনাদর সাথে শেয়ার করছি। আমি অফিস থেকে ছুটি নিয়ে রেখেছিলাম অনেক আগেই। সকাল বেলা বউ কে নিয়ে বেড় হলাম। কোথাও যাব। আমরা মানিক গঞ্জের বাসে উঠলাম। ইচ্ছে লং জার্নীতে যাওয়া। আমি গরীব মানুষ। গাড়ি থাকলে বউ কে নিয়ে লং ড্রাইভে যেতাম। সেটাতো আর সম্ভব না। তাই বাসে করেই যেতে হয়। বাসে উঠে প্রথমে কাধে হাত রাখলাম বউয়র। এর পর এক ফাকে যখন দেখলাম কেউ আমাদের দিকে তাকাআচ্ছে না। তখন আস্তে করে হাত টা পেটের উপর দিয়ে নাভির নিচে দিয়ে দিলাম। বউয়ের হালকা গজানো বালের উপর নাড়তে লাগলাম। বউ আমার দিকে তাকিয়ে চোখ রাঙালো। আমি মৃদু হাসলাম। কিন্তু কাজ চালিয়ে যেতে লাগলাম। বুজলাম বউ গরম হচ্ছে। আমি জানি এই বাসে বউকে গরম করা আমার ঠিক হচ্ছে না। কিন্তু মনের মধ্য আমার দুষ্টামী। এর পরে যখন নিজের দিকে নামলাম, দেখি রসে বউর যোনি ভিজে গেছে। আমি আলতো করে মালিশ করতে লাগলাম। দেখি বু চোখ বন্ধ করেছে। আমি একটা আঙুল ঢুকিয়ে দিলাম। গরম হয়ে গেছে ভিতরটা। বউ আমার কেমন যেনো একটা শব্দ করলো। আমি বুঝলাম খবর হয়ে গেছে তার। আমার কথাতো এতোক্ষন বলিইনি। বাড়া মহারাজ যে কখন ফুলে কলাগাছ হয়েছে টেরই পাইনি। হঠাৎ দেখি বউ আমার হাতটা চেপে ধরল। আরো ভেতরে ঢুকিয়ে দিতে চায়। আমি বুঝলাম এখন সময় হয়েছে হাত বের করার। হাত বের করে দিলাম। বউ কিছু বলল না। দেখি চোখ বন্ধ করে রেখেছে। আমারা তখন ধামরাই। বউ আমার বলে আমি ব্যাক করবো। আমি বললাম, কী বলছো? সে রেগে বলে কী বলছি তুমি শোন নি? আর কথা বাড়ালাম। না। নামার প্রষ্তুতি নিলাম। ধামড়াই অন্য একটা বাসে চড়ে ঢাকা চলে এলাম। বাসায় আসতেই বউ আমাকে ধাক্কা দিয়ে বিছানায় ফেলল। এরপর আমার কালার ধরে বলল, তুমি বাসে আমার সাথে এরকম করলে কেন। আমি চুপ। ষে আবার বলে, যদি কেউ কিছু বুঝে ফেলতো। আমি বললাম, আমি ভালো করে চারপাশ দেখেই হাত দিয়েছি। বউ বলে, তোমার লজ্জা করে না। আবার বল, চারপাশ দেখেই হাত দিয়েছি। আমি হাসলাম। সে পুরো শরীরের ভর আমার উপর দিয়ে দিল। আমি কথা বলতে যাচ্ছিলাম সে তখন আমাকে বলে এর শাস্তি তুমি আজ পাবে। বলেই আমার ঠোটে ঠোট রাখে। প্রায় দশ মিনিট ধরে শুধু ঠোটের কাজ চালাই আমরা। আমি ওকে এবার নিচে ফেলি। মুখ ডুবাই ওর বুকে। আমি এতো এক্সাইটেড হয়ে গিয়েছিলাম যে, টান দিয়ে ব্লাউজ ছিড়ে ফেলি। এটা আমার জন্য নতুন না। কেন জানি একাজ টা করতে ভালো লাগে। নিজেকে বীর পুরুষ মনে হয়। তাই বউ কিছু বললো না। আমি ব্রার উপর দিয়েই ওর নরম দুধগুলো কামড়াতে থাকি। সে শুধু বলে আস্তে। আর আমার চুল ণাড়তে থাকে। আমি হারিয়ে যাই। একটা হাত দেই তার যোনিতে। সে বাধা দেয়। বলে পরে। এভাবে কিছু ক্ষন চলার পর সে আমার বাড়ায় হাত দেয়। প্যান্টের চেনটা খুলে বাড়াটা বের করে। কিছুক্ষন হাতিয়ে দেয়। আমি তখনো ওর বুকেই ছিলাম। এরপর ও উপরে উঠে আমার বাড়ায়মুখ দেয়। আমি আঃ করে চিৎকার করে উঠি সুখে। আজ যে একটু বেশিই আদর করছে বাড়ায়। খব নরমভাবে চুষে, জিহ্বা দিয়ে নাড়িয়ে দিচ্ছিল। আমি সুখে অবশ হয়ে যাচ্ছিলাম। হঠাৎ সে উঠে পড়ে। আমি অবাক হয়ে যাই। বলি কী হলো। সে বলে কিছু না। তাহলে থামলে কেনো। এটা তোমার শাস্তি। পাঠক বিশ্বাস করেন এরপর আমি অনকে কাকুতিমিনতি করেও সেদিন আর করতে পারিনি। অবশ্য সে এরা পরদিন পুশিয়ে দিয়েছিল।

This entry was posted in Uncategorized. Bookmark the permalink.

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s